বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১

ভাষা আন্দোলন ও পাকিস্তানি শাসনামল – বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি – সাধারণ জ্ঞান – Language Movement and Pakistan Period – BCS Exam Preparation – General Knowledge - Bangladesh

 

ভাষা আন্দোলন,পাকিস্তানি শাসনামল,বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি,সাধারণ জ্ঞান,BCS Exam Preparation,General Knowledge Bangladesh,ছয় দফা আন্দোলন,৭০ এর নির্বাচন

ভাষা আন্দোলন ও পাকিস্তানি শাসনামল বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি সাধারণ জ্ঞান Language Movement and Pakistan Period – BCS Exam Preparation – General Knowledge - Bangladesh

 - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -

-পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মে, ১৯৫৪; জাতীয় পরিষদ উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়-১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬

-১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন জন্ম দিয়েছিল এক নতুন জাতীয় চেতনার।।

-ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র-- সাপ্তাহিক সৈনিক।

-১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার, ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।

-‘এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নিচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি--- কবিতার রচয়িতা- মাহবুব উল আলম চৌধুরী।

-একুশের প্রথম গান ভুলব না ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না রচনা করেন- ভাষা সৈনিক গাজীউল হক।

-ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন একুশে ফেব্রুয়ারি গ্রন্থের সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান।

-‘কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা। খোকা তুই কবে আসবি পঙক্তির রচয়িতা- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

-১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তানের জনসংখ্যা ছিল কোটি ৪০ লক্ষ।

-উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময়।

-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়- তমদুন মজলিস।।

-রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে বলেছিলেন এমন দুজন সাহিত্যিকের নাম- . মুহম্মদ শহীদুল্লাহ আবুল মনসুর আহমেদ।

-রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়-১৯৪৭ সালে।

-রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

-গণপরিষদে বাংলাকে সরকারি কাজে ব্যবহারের দাবি করেছিলেন গণপরিষদ সদস্য-- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান সংসদ সদস্য প্রেমহরি বর্মণ, ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত এবং শ্রীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বিরোধিতা করেছিলেন তমিজউদ্দীনের নেতৃত্বে মুসলিম লীগের সদস্যরা।

-দ্বিতীয়বারের মত রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়১৯৪৮ সালে, আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।

-রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের প্রথম ধর্মঘট পালিত হয়-১১ মার্চ, ১৯৪৮

-জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দেন-২১ মার্চ, ১৯৪৮, তিনি বলেন- উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।

-‘পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটির নেতা ছিলেন- মওলানা আকরম খাঁ।

-“পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু" খাজা নাজিমউদ্দীন ভাষণে বলেন- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৫২

-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২

-সরকারের স্থানীয় সরকার প্রশাসনের মাধ্যমে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় মাসের জন্য সভা, সমাবেশ মিছিল নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি- ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২

-সলিমুল্লাহ হলে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত- ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২

-বাংলাদেশের ইতিহাস বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ আন্দোলনের চুড়ান্ত দিনে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারী কয়েকজনের মৃত্যু।

-২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২৪ তারিখে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।।

-আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো..... কবিতা আকারে লিফলেটে প্রকাশিত হয়১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে।

-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলাকে উর্দু ভাষার পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

-‘বাবা উর্দু প্রকৃত নাম আবদুল হক।

-তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা প্রদানের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

-সরকারের সমর্থনে প্রথম ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়- ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে।

-বাংলাকে পাকিস্তানের ২য় রাষ্ট্রভাষা মর্যাদা দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬

-বাংলাকে পাকিস্তানের ২য় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়--সংবিধানের ২১৪() অনুচ্ছেদে।

-বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটি ছিল The State Language of Pakistan shall be Urdu and Bengali.

-“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটির গীতিকার- আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং সুরকার আলতাফ মাহমুদ, প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ।

-ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত নাটকের নাম কবর, নাট্যকার- মুনীর চৌধুরী।

-ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ অধিবেশন ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯

-আন্তর্জাতিকভাবে দিবস উদযাপন শুরু করা হয়-২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে।

-বর্তমান শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান।

-শহীদ মিনারের মূল বেদির উপর অর্ধ-বৃত্তাকারে সাজানো ৫টি স্তম্ভের প্রতীকী অর্থ- মা তার শহীদ সন্তানদের সাথে দাঁড়িয়ে আছেন।

-১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন- ভাষা শহীদ আবুল বরকতের মা হাসনা বেগম।

-১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকস্তানি বাহিনী শহীদ মিনার ধ্বংস করে, ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে সরকার এটি পুনরায় নির্মাণ করে।

-দেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার- যুক্তরাজ্যের ওল্ডহ্যামে (১৯৯৭), লন্ডনে (১৯৯৯) এবং টোকিওতে (২০০৫), (বাংলা পিডিয়া)

-বাংলাদেশের বাইরে ১৯ মে, ১৯৬১ আসামের শিলচর রেল স্টেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানানো হয়, ঘটনায় ১১ জন শহীদ হয়েছিলেন।

-বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডের বাইরে বাংলাকে আধা-সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়া হয়- আসামের বাঙালি অধ্যুষিত ৩টি জেলাতে।

-বাংলাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে সিয়েরালিয়নে।

-সর্বপ্রথম বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানায় তমদ্দুন মজলিশ।

-তমদ্দুন মজলিশের রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম ছিল-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু? (এটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা) পুস্তকটি প্রকাশিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে। লেখক ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম, . কাজী -মোতাহার হোসেন আবুল মনসুর আহমেদ।

-১৯৪৭ সালে তমুদ্দুন মজলিশের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম।

-বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের জন্য এবং উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার বিরোধিতা করা হয়- শিক্ষামন্ত্রী ফজলুল হকের উদ্যোগে আয়োজিত পাকিস্তান এডুকেশনাল কনফারেন্সে।

-পূর্ব পাকিস্তান স্টুডেন্টস লীগের জন্ম-১৯৪৮ সালে, প্রথম সভাপতি- কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।

-‘পূর্ব পাকিস্তান স্টুডেন্টস লীগ গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম লীগ সরকারের এন্টি-বেঙ্গলি পলিসির বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

-বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণার জন্য স্টুডেন্ট এ্যাকশন কমিটি ধর্মঘটের ডাক দেয়-১১ মার্চ ১৯৪৮

-১৯৪৮-৫২ এর ভাষা আন্দোলনের সময়কালে প্রতি বছর ভাষা দিবস বলে একটি দিন পালন করা হতো সে দিনটি ছিল ১১ মার্চ।

-পাকিস্তানের .২৭ (বাংলাদেশের ইতিহাস বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি) শতাংশ মানুষের মুখের ভাষা ছিল উর্দু।

-৫৬ শতাংশ মানুষের মুখের ভাষা ছিল--বাংলা।

-২৪ মার্চ, ১৯৪৮ কার্জন হলে অনুষ্ঠিত সমাবর্তনে জিন্নাহর ভাষণের শিরোনাম ছিল স্টুডেন্টস রোল ইন ন্যাশন বিল্ডিং'

-বাংলাকে আরবি হরফে প্রচলন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।

-ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, এস, এম, হোনেইন।

-সচিবালয়ে কর্মরত ভাষা শহীদের নাম আব্দুস সালাম।

-২২ ফেব্রুয়ারি বাহাদুর শাহ পার্ক- বক্তৃতা প্রদান করেন- অলি আহাদ, আব্দুল মতিন, কাজী গোলাম মাহবুব।

-সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

-ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য কয়েকজন নারী নাদিরা চৌধুরী, হামিদা রহমান, রহিমা খাতুন, সালেহা খাতুন, হাজেরা মাহমুদ, যোবেদা খাতুন চৌধুরী, লিলি চক্রবর্তী, শামসুন্নাহার, রওশন আরা, বাচ্চু, সুফিয়া ইব্রাহীমসহ আরও অনেকে। তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি

-আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অবস্থিত ঢাকার সেগুনবাগিচায়, শিল্পকলা একাডেমি ভবনের পাশে।

 

 

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে গঠিত সংগ্রাম পরিষদ

 

নাম তারিখ - আহ্বায়ক

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - অক্টোবর, ১৯৪৭ - অধ্যাপক নূরুল হক ভুঞা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (২য় বার) - মার্চ, ১৯৪৮ - শামসুল আলম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - ১১ মার্চ, ১৯৫০ - আবদুল মতিন

সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - ৩১ জানুয়ারি, - কাজী গোলাম মাহবুব

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি)

 

 

-১৯৫৪ সালের নির্বাচন ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় চারটি দলের সমন্বয়ে; দলগুলো হলো- আওয়ামী মুসলিম লীগ (ভাসানী), কৃষক-শ্রমিক পার্টি (শেরেবাংলা ফজলুল হক), নেজাম--ইসলামী (মাওলানা আতাহার আলী) বামপন্থি গণতন্ত্র দল (হাজী দানেশ)

-১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা কর্মসূচি; প্রথম দফা ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা; ২১ দফার রচয়িতা ছিলেন-- আবুল মনসুর আহমেদ।

-১৯৫৪ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল- নৌকা।

-১৯৫৪ সালের নির্বাচনকে আখ্যায়িত করা হয় ব্যালট বিপ্লব হিসেবে।

-১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১০ মার্চ; নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে--২২৩টি আসন (৩০৯টির মধ্যে), মুসলিম লীগ লাভ করে- ৯টি আসন, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস লাভ করে- ২৪টি আসন।

-১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি, মুসলমানদের জন্য ২৩৭টি অমুসলিমদের জন্য ৭২টি।

-১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন- -শেরেবাংলা একে ফজলুল হক।

-১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে কেন্দ্রের শাসন জারি করেন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।

-১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষি, সমবায় পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রী।

-১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রভাব পরিলক্ষিত হয়- মধ্যবিত্ত শ্রেণির

-পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র রচিত হয়--১৯৫৬ সালে, দ্বিতীয় শাসনতন্ত্র ১৯৬২ সালে।

-পাকিস্তানে প্রথম সামরিক আইন জারি করা হয়--- ১৯৫৮ সালে, জারি করেন- আইয়ুব খান।।

 

ছয় দফা আন্দোলন-১৯৬৬

 

-ছয়দফা রচিত হয় সি মলা প্রস্তাবের ভিত্তিতে; ছয়দফা ছিল বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মজুর; মধ্যবিত্ত তথা আপামর জনতার মুক্তির সনদ।

-বঙ্গবন্ধু ছয়দফা কর্মসূচির প্রথম ব্যক্ত করেন ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরের বিরোধী দলসমূহের জাতীয় সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনী কমিটিতে; লাহোরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করেন- ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬

-বঙ্গবন্ধুর নামে আমাদের বাঁচার দাবি; ছয়দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬; আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা গৃহীত হয়- ১৩ মার্চ, ১৯৬৬

-ঐতিহাসিক দফা ঘোষণা করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

-বঙ্গবন্ধু দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন-- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬

-ছয় দফা দিবস জুন।

-ঐতিহাসিক ছয়দফার প্রথম দফা- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।

-বঙ্গবন্ধু ছয় দফাকে আখ্যায়িত করেন আমাদের বাঁচার দাবি বলে।

-আইয়ুব খান ছয়দফাকে আখ্যায়িত করেন রাষ্ট্রদ্রোহী পাকিস্তানের প্রতি হুমকি বলে।

-ছয়দফার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হলো- -বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারণা বিকাশ।

-ঐতিহাসিক দফাকে তুলনা করা হয়- ম্যাগনাকার্টার সাথে

-গণঅভ্যুত্থান ১৯৬৮-৬৯ এবং আগরতলা মামলা ছয়দফার প্রতিক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করলে তার প্রতিবাদে দেশব্যাপী হরতাল পালিত হয়-- জুন, ১৯৬৬

-১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান হয় আওয়ামী লীগের ছয়দফা, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদের দফার ভিত্তিতে।

-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় জানুয়ারি, ১৯৬৮, প্রত্যাহার করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯

-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আসামী করা হয়-- ৩৫ জনকে (বঙ্গবন্ধুসহ), প্রধান আসামী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সর্বশেষ বা ৩৫তম আসামী ছিলেন লে, আবদুর রউফ।

-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ১৭ নং আসামী ছিলেন- সার্জেন্ট জহুরুল হক, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯

-আগরতলা মামলায় আসামী পক্ষের ডিফেন্স টিমের প্রধান আইনজীবী ছিলেন প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম। এছাড়াও ছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম

-আগরতলা মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হয় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে।

-১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী . শামসুজ্জোহা (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) শহীদ হন১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯

-১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন মতিউর রহমান;

-মতিউর ছিলেন নবকুমার ইনস্টিটিউটের ছাত্র

-আসাদ শহীদ হন--৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে; আসাদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র; আসাদের বাড়ি নরসিংদী জেলার হাতিরদিয়ায়।

-আসাদ দিবস পালিত হয়-২০ জানুয়ারি।

-রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান অন্যান্য ছিল- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সরকারি নাম; মামলা থেকে পাকিস্তানি সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯

-গণঅভ্যুত্থানে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ঘোষণা করে- ১১ দফা।

-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন; ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন- এসএ রহমান; সরকারের পক্ষের প্রধান কৌসুলি ছিলেন- মনজুর কাদের অ্যাডভোকেট টিএইচ খান।

-শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯, উপাধি দেন- তোফায়েল আহমেদ।

-গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়-২৪ জানুয়ারি।

-আসাদ গেট নির্মিত হয় ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষার্থে; আসাদ গেটের পূর্বনাম আইয়ুব গেট।।

-সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়-~ জানুয়ারি, ১৯৬৯

-আসাদকে নিয়ে রচিত কবিতার নাম আসাদের শার্ট (শামসুর রাহমান);

-৬৯-এর পটভূমিতে রচিত উপন্যাস- চিলেকোঠার সেপাই (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)

-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নতুন নামকরণ বাংলাদেশ করেন ডিসেম্বর, ১৯৬৯

-সর্বদলীয় ছাত্র সগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

-ডেমোক্রাটিক অ্যাকশন কমিটি (DAC) গঠিত হয়- জানুয়ারি, ডাক- অন্তর্ভুক্ত হয়- ৮টি রাজনৈতিক দল।

-৬৯-এর প্রবল আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান সেনা প্রধান আগা মুহম্মদ ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন- ২৫ মার্চ, ১৯৬৯

পাকিস্তানে দ্বিতীয় বার সামরিক আইন জারি করা হয়- ২৫ মার্চ, ১৯৬৯

মৌলিক গণতন্ত্রের প্রবর্তক- আইয়ুব খান

১৯৭০-এর নির্বাচন ইয়াহিয়া খান নির্বাচন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন২৩ মার্চ, ১৯৭০ আর লক্ষ্যে তিনি আইনগত কাঠামো আদেশ ঘোষণা করেন। ২৮ মার্চ, ১৯৭০

১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ডিসেম্বর, ১৯৭০;

প্রাদেশিক নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়- ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০ (ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসের কারণে কিছু আসনে অনুষ্ঠিত হয়--১৭ জানুয়ারি, ১৯৭১)

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি (সংরক্ষিত ১৩টিসহ); তন্মধ্যে পূর্বপাকিস্তানে- ১৬৯টি; পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ছয়দফা।

পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের আসন সংখ্যা ছিল-৩১০টি (সংরক্ষিত ১০টি)

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের- ১৬৯ আসনের মধ্যে ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদের- ৩১০ আসনের মধ্যে ২৯৮টি আসন লাভ করে।

আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে ৭৫.১০% এবং প্রাদেশিক পরিষদে ৭০.৪৮% ভোট পায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক ঘোষণা করা হয়- মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।

বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেন- .., আব্দুর রব।

 

জাতীয় পরিষদ

রাজনৈতিক দল - প্রাপ্ত আসন - সংরক্ষিত মহিলা আসন - মোট আসন

আওয়ামী লীগ - ১৬০   - ১৬৭

মুসলিম লীগ (কনভেশন) ০২ - ০০ - ০২

পিপলস পার্টি ৮৩ ০৫ - ৮৮

ন্যাপ (ওয়ালী গ্রুপ) ০৬ ০১ -০৭

মুসলিম লীগ (কাউন্সিল) ০৭ - ০০ - ০৭

মুসলিম লীগ (কাইয়ুম) ০৯ ০০ ০৯

পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি ০১ ০০ ০১

জামায়াত--ইসলামী ০৪ ০০ - ০৪

জমিয়তে উলামা--ইসলাম ০৭ ০০ - ০৭

জমিয়তে উলামা- পাকিস্তান ০৭ ০০ - ০৭

নেজাম--ইসলাম ০০ ০০ ০০

নির্দলীয় ১৪ ০০ ১৪

সর্বমোট - ৩০০ ১৩ - ৩১৩

 

প্রাদেশিক পরিষদ

রাজনৈতিক দল  - প্রাপ্ত আসন - সংরক্ষিত মহিলা আসন - মোট আসন

আওয়ামী লীগ ২৮৮ - ১০ ২৯৮ 

পিডিপি

ন্যাপ (ওয়ালী) - ১ - ০

জামায়াত--ইসলামী

নেজাম--ইসলাম

স্বতন্ত্র  

সর্বমোট ৩০০ ১০ ৩১০

Tags: ভাষা আন্দোলন,পাকিস্তানি শাসনামল,বিসিএস পরীক্ষা প্রস্তুতি,সাধারণ জ্ঞান,BCS Exam Preparation,General Knowledge Bangladesh,ছয় দফা আন্দোলন,৭০ এর নির্বাচন

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Trending